শুক্রবার, ৮ মে, ২০১৫

আরও চার মামলায় সালমানের সাজা শিগগিরই


গাড়ি চাপা দিয়ে ফুটপাতবাসীকে হত্যা মামলার শুনানি৷ ১৪ মে, ২০১৫৷ বেআইনিভাবে বন্দুক ব্যবহার মামলার শুনানি৷ ২৮ মে, ২০১৫৷ কৃষ্ণসার হত্যা মামলার শুনানি৷
প্রথম মামলায় মুম্বাই দায়রা আদালতে দোষী সাব্যস্ত সলমন খান৷ পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে আদালত৷ লাইসেন্সের মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়ার পরও বন্দুক ব্যবহারের অপরাধে দ্বিতীয় মামলায় অভিযুক্ত সলমন৷ দোষী প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ শাস্তি সাত বছর কারাবাস৷ তৃতীয় মামলাটিতে দোষী সাব্যস্ত হলে তিন বছরের জেল হতে পারে সালমানদাবাং' খানের৷ চলতি মাসের শেষেই সম্ভবত স্পষ্ট হয়ে যাবে সল্লু ভাইয়ের ভবিষ্যৎ। একাধিক মামলার প্যাঁচে ক্রমশ পেঁচিয়ে পড়ছেন৷ জীবনের সবচেয়েকালো মে' মাস কীভাবে কাটিয়ে ওঠেন তা দেখতেই মুখিয়ে সবাই৷ ভালবাসা-উদ্বেগ-আগ্রহ অনুভূতিগুলি ঘিরে এখন শুধুই অপেক্ষা৷
বুধবার দায়রা আদালতের রায়ের পর কারাবাসের আগেই জামিন পেয়েছেন৷ আপাতত মাত্র দু'দিনের স্বস্তি৷ আজ সারাদিন নিজের বাড়ি গ্যালাক্সিতেই থাকছেন সালমান ভাই৷ পরিবারের সঙ্গে কাটাচ্ছেন জীবনের এই কঠিন সময়৷ শুক্রবার সকাল থেকেই ফের টেনশন সালমান তাঁর ভক্তদের৷ আগামীকাল গাড়ি চাপা দিয়ে হত্যা মামলার শুনানি৷ দায়রা আদালত পাঁচ বছরের জেলের সাজা শুনিয়েছে৷ বোম্বে হাই কোর্ট তাঁর জামিনের আর্জি মেনে নিয়েছে৷ এবার কী হবে?
গাড়ি চাপা দিয়ে হত্যা মামলা ছাড়াও সালমানের বিরুদ্ধে চলছে আরও চারটি মামলা৷ এখন প্রশ্ন, হরিশ সালভের মতো দুঁদে আইনজীবীর সাহায্যে এই মামলায় সালমান যদি স্বস্তিও পান বাকিগুলির ক্ষেত্রে কতটা স্বস্তি পাবেন? ১৯৯৮ সালে রাজস্হানে ছবির শুটিংয়ের সময় হরিণ হত্যা করেছিলেন সালমান৷ শিকারের জন্য রাজস্হান হাই কোর্টে দুটি মামলায় দোষী সাব্যস্ত হন তিনি৷ শিকার নিয়ে তৃতীয় মামলা বেআইনিভাবে অস্ত্র ব্যবহারের মামলার চূড়ান্ত রায় ১৪ মে ঘোষণা করবেন যোধপুরের বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট

সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন