গাড়ি
চাপা
দিয়ে
ফুটপাতবাসীকে হত্যা
মামলার
শুনানি৷ ১৪
মে,
২০১৫৷
বেআইনিভাবে বন্দুক
ব্যবহার মামলার
শুনানি৷ ২৮
মে,
২০১৫৷
কৃষ্ণসার হত্যা
মামলার
শুনানি৷
প্রথম
মামলায়
মুম্বাই দায়রা
আদালতে
দোষী
সাব্যস্ত সলমন
খান৷
পাঁচ
বছরের
কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে
আদালত৷
লাইসেন্সের মেয়াদ
ফুরিয়ে
যাওয়ার
পরও
বন্দুক
ব্যবহারের অপরাধে
দ্বিতীয় মামলায়
অভিযুক্ত সলমন৷
দোষী
প্রমাণিত হলে
সর্বোচ্চ শাস্তি
সাত
বছর
কারাবাস৷ তৃতীয়
মামলাটিতে দোষী
সাব্যস্ত হলে
তিন
বছরের
জেল
হতে
পারে
সালমান
‘দাবাং'
খানের৷
চলতি
মাসের
শেষেই
সম্ভবত
স্পষ্ট
হয়ে
যাবে
সল্লু
ভাইয়ের
ভবিষ্যৎ। একাধিক
মামলার
প্যাঁচে ক্রমশ
পেঁচিয়ে পড়ছেন৷
জীবনের
সবচেয়ে
‘কালো
মে'
মাস
কীভাবে
কাটিয়ে
ওঠেন
তা
দেখতেই
মুখিয়ে
সবাই৷
ভালবাসা-উদ্বেগ-আগ্রহ অনুভূতিগুলি ঘিরে
এখন
শুধুই
অপেক্ষা৷বুধবার দায়রা আদালতের রায়ের পর কারাবাসের আগেই জামিন পেয়েছেন৷ আপাতত মাত্র দু'দিনের স্বস্তি৷ আজ সারাদিন নিজের বাড়ি গ্যালাক্সিতেই থাকছেন সালমান ভাই৷ পরিবারের সঙ্গে কাটাচ্ছেন জীবনের এই কঠিন সময়৷ শুক্রবার সকাল থেকেই ফের টেনশন সালমান ও তাঁর ভক্তদের৷ আগামীকাল গাড়ি চাপা দিয়ে হত্যা মামলার শুনানি৷ দায়রা আদালত পাঁচ বছরের জেলের সাজা শুনিয়েছে৷ বোম্বে হাই কোর্ট তাঁর জামিনের আর্জি মেনে নিয়েছে৷ এবার কী হবে?
গাড়ি চাপা দিয়ে হত্যা মামলা ছাড়াও সালমানের বিরুদ্ধে চলছে আরও চারটি মামলা৷ এখন প্রশ্ন, হরিশ সালভের মতো দুঁদে আইনজীবীর সাহায্যে এই মামলায় সালমান যদি স্বস্তিও পান বাকিগুলির ক্ষেত্রে কতটা স্বস্তি পাবেন? ১৯৯৮ সালে রাজস্হানে ছবির শুটিংয়ের সময় হরিণ হত্যা করেছিলেন সালমান৷ শিকারের জন্য রাজস্হান হাই কোর্টে দুটি মামলায় দোষী সাব্যস্ত হন তিনি৷ শিকার নিয়ে তৃতীয় মামলা ও বেআইনিভাবে অস্ত্র ব্যবহারের মামলার চূড়ান্ত রায় ১৪ মে ঘোষণা করবেন যোধপুরের বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট।
সূত্র:
সংবাদ
প্রতিদিন
