বাংলাদেশ ও
ভারতে
আন্তর্জাতিক জঙ্গি
সংগঠন
আল-কায়েদার প্রভাব বিস্তারের কোনো
প্রমাণ
খুঁজে
পাননি
দুই
দেশের
গোয়েন্দারা। তবে ঢাকায়
ড.
অভিজিৎ
রায়সহ
বেশ
কয়েকজন
ব্লগার
হত্যা
এবং
আশুলিয়ায় ব্যাংক
ডাকাতি
ও
হত্যার
ঘটনায়
আনসারুল্লাহ ও
জেএমবির জড়িত
থাকার
সন্দেহে দুই
দেশের
গোয়েন্দারা উদ্বিগ্ন। এর সঙ্গে
যোগ
হয়েছে
সীমান্তের অরক্ষিত অংশ
এবং
ভারতের
উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সাত রাজ্যের
নিরাপত্তা নিয়ে
উদ্বেগ। ভারতীয়
জাতীয়
তদন্ত
সংস্থার (এনআইএ)
তিন
সদস্যের প্রতিনিধিদল ঢাকায়
কয়েক
দিন
ধরে
বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে
এসব
নিয়ে
আলোচনা
করছে। বাংলাদেশ পুলিশের একাধিক
সূত্রে
এ
তথ্য
জানা
গেছে।
জানতে
চাইলে
ঢাকা
মহানগর
পুলিশের গোয়েন্দা শাখার
যুগ্ম
কমিশনার মনিরুল
ইসলাম
বলেন,
‘এনআইএর
মহাপরিদর্শক সঞ্জীব
কুমার
সিংয়ের
নেতৃত্বে চার
দিনের
সফরে
প্রতিনিধিদল গত
রবিবার
ঢাকায়
পৌঁছে। এরই
মধ্যে
তাদের
সঙ্গে
কয়েক
দফা
বৈঠকে
দুই
দেশের
অভ্যন্তরীণ জঙ্গি
পরিস্থিতি নিয়ে
আমাদের
কথা
হচ্ছে।
জেএমবি
ও
আনসারুল্লাহ জঙ্গিদের যৌথভাবে গ্রেপ্তারে দুই
দেশই
একমত।’
পুলিশ
সূত্রে
জানা
যায়,
এনআইএর
প্রতিনিধিদল ডিএমপির পাশাপাশি পুলিশ
সদর
দপ্তরেও বৈঠক
করেছে।
এসব
বৈঠকে
জঙ্গি
দমনে
দুই
দেশের
গোয়েন্দারা পারস্পরিক তথ্যবিনিময় ও
সহযোগিতায় একমত
হয়েছেন। এ
ছাড়া
সন্ত্রাস নির্মূলে দুই
প্রতিবেশী দেশের
একটি
লক্ষ্য
থাকায়
যৌথভাবেই এই
জঙ্গিদের দমনের
সিদ্ধান্ত হয়েছে
বৈঠকে।
এই
সফরে
বাংলাদেশ থেকে
ভারতে
পলাতক
জেএমবি
জঙ্গিদের একটি
তালিকা
এবং
ভারতের
কাছ
থেকেও
পলাতক
জঙ্গিদের তালিকা
হস্তান্তর হয়েছে।
এর
আগেও
দুই
দেশের
মধ্যে
জঙ্গি
ও
সন্ত্রাসীদের তালিকা
বিনিময়
হয়।
এসব
তালিকার সূত্র
ধরে
দুই
দেশই
জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযান
চালিয়ে
আসছে।
পুলিশ
সূত্র
মতে,
এনআইএর
সঙ্গে
বৈঠকে
ভারতের
উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সাতটি রাজ্যের দুর্গম
সীমান্ত এলাকায়
জঙ্গিগোষ্ঠীর ঘাঁটি
বিষয়েও
আলোচনা
হয়।
চট্টগ্রামে জঙ্গল
ও
দুর্গম
পাহাড়ি
এলাকায়
জঙ্গিদের অস্ত্র
প্রশিক্ষণসহ নানা
তৎপরতার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে।
র্যাবের গোয়েন্দা শাখার
পরিচালক আবুল
কালাম
আজাদ
বলেন,
‘গত
২
অক্টোবর বর্ধমানে বোমা
বিস্ফোরণে জেএমবির দুই
সদস্য
মারা
যায়।
এরপর
জেএমবির পুনর্গঠনের আভাস
পেয়ে
ভারতীয়
গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে
এ
বিষয়ে
আমাদের
যোগাযোগ হয়।
এরপর
দুই
দেশে
অবস্থানকারী জঙ্গিদের খোঁজা
হচ্ছে।
এদের
মধ্যে
ভারতে
অবস্থানকারী দুই
দেশের
তালিকাভুক্ত জেএমবির ৯
সদস্য
বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্থান করছে
বলে
জানা
গেছে।’
গত
বছরের
২
অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানের খাগড়াগড়ে একটি
বাড়িতে
বোমা
বিস্ফোরণের পর
তাতে
বাংলাদেশি জঙ্গিদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ
ওঠে।
এনআইএ
দাবি
করে,
ঘটনার
সঙ্গে
বাংলাদেশের নিষিদ্ধ ঘোষিত
জঙ্গি
সংগঠন
জেএমবি
জড়িত।
ওই
বাড়িটি
ছিল
জেএমবির পলাতক
সদস্যদের আশ্রয়স্থল। গত
বছর
নভেম্বরেও এনআইএর
একটি
প্রতিনিধিদল ঢাকায়
এসেছিল।
